সাইফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার :
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেখানে নিয়ম মেনে যথা সময় সকাল ৯টায় অফিস করেন ঠিক তার উল্টো চিত্র দেখা গেলো বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের টাঙ্গাইল উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্র। সকাল ৯টায় অফিসে আসার নিয়ম থাকলেও অফিসের কয়েকজন ষ্টাফ বাদে পাওয়া যায়নি দ্বায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের। ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় গণমাধ্যমকর্মিরা অফিসে গিয়ে দেখেন ৩জন অফিস সহায়ক ছাড়া কাউকেই পাওয়া যায়না।
সকাল ৯ ঘটিকায় উপ-আঞ্চলিক অফিসের যুগ্ম পরিচালক শ্যাম রঞ্জন কর্মকার অফিসে প্রবেশ করেন। ৯ টা ২৮ মিনিটে অফিসে আসেন বেনজির আলম সেকশন অফিসার উপ আঞ্চলিক কেন্দ্র টাঙ্গাইল।
আরেক কর্মকর্তা আলী আহম্মেদ (রেমন)
সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিষ্ট (ডিডি)
উপ-আঞ্চলিক অফিস টাঙ্গাইল তিনি শেষ সময় সকাল ১০টা পর্যন্ত নাঘাত অফিসে আসেননি।
এ বিষয়ে যুগ্ম পরিচালক শ্যাম রঞ্জন কর্মকার বলেন আমি নিয়মিত এবং যথা সময়েই অফিসে আসি এবং আমাদের হাজিরা সিট আমাদের ময়মনসিংহ অফিসে পাঠিয়ে দিয়ে থাকি,কোন কর্মকর্তা যদি দেরিতে আসে তাহলে আমাকে মৌখিক ভাবে তারা বলে। প্রতিনিয়তই মৌখিক বলে দেরিতে আসা কি,নিয়ম মাফিক হয়ে যাচ্ছে কিনা? এমন প্রশ্ন করা হলে তার কোন সত্তর দিতে পারেননি।
টাঙ্গাইল শহর থেকে এক কিলোমিটার দূরে টাঙ্গাইল দেলদুয়ার রোড বাজিতপুর বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রটি হওয়ায় কেউ এ কেন্দ্রের বিষয়ে তেমন কোন খোঁজ খবর রাখেন না।
অভিযোগ আছে কর্মকর্তারা অফিসে না এসে পিওন ও কর্মচারীদের দিয়ে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্রের কাজ সেরে নেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু কমর্চারী বলেন রেমন স্যার আর বেনজির স্যার প্রতি নিয়তই দেরি করে অফিসে আসেন। তারা স্যার মানুষ তাদেরকেতো আমরা কিছু বলতে পারি না।
এদিকে অফিসে ধুমপান নিষেধ থাকলেও অবাধে অফিসের ভীতরে ধুমপান করেন বেনজির আলম যা কোন ভাবেই কাম্য নয়, তার প্রফাইলে দুর্নীতিমুক্ত শ্লোগান দিয়েছে কি অদ্ভুত!
যেখানে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ পত্রে ভরা অফিস সেখানে ঘুরে ঘুরে ধুমপান করা কত টুকু যৌক্তিক? যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা।
এ সকল বিষয়ে যুগ্ম পরিচালক শ্যাম রঞ্জন কর্মকার বলেন আমার চাকরির বয়স আছে আর মাত্র কয়েক মাস,আমি কোন কর্মকর্তাকে কাজের কথা বললে,তারা যদি সে কাজ না করেন তাহলে আমি নিজেই সে কাজ সেরে ফেলি। আপনারাতো বুঝেনই শেষ সময় কোন ঝামেলা করতে চাই না।সবার সাথে মিলে মিশে বাকি সময়টুকু পার করতে চাই।