বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অনৈতিক ভাবে সহযোগীতা করার অভিযোগে ২ জনকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দুপুরে শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে।
এব্যাপারে শুক্রবার দিবাগত রাতে শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একডেমিক সুপারভাইজার এম নূরুজ্জামান বাদি হয়ে শার্শা থানায় একটি মামলা করেছেন।
আটককৃতরা হলেন, বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা শাহানারা খাতুন ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ফাতেমা খাতুন। আটককৃতদের শার্শা থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একডেমিক সুপারভাইজার এম নূরুজ্জামান বলেন, বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা শাহানারা খাতুন এর মেয়ে অহনা খাতুন চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। সে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রের ৩০১ নং রুমে পরীক্ষা দিচ্ছে। অহনা ঝিকরগাছার বিকেএস কুলবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। প্রধান শিক্ষিকা শাহানারা খাতুন এর নির্দেশে ঐ প্রতিষ্ঠানের আয়া ফাতেমা খাতুন ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার পর গোপনে তার মেয়ের উত্তরপত্র ঠিক করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমন অভিযোগের পেক্ষিতে শার্শা উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে। তদন্তে প্রাথমিক ভাবে সত্যতা পাওয়ায় শার্শা উপজেলা প্রশাসন অভিযুক্ত ঐ দু’জনকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তদন্ত করে প্রাথমিক ভাবে সত্যতা পাওয়ায় ঘটনার সাথে যুক্ত ২জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাত আড়াইটার দিকে শার্শা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
অভিযোগ রয়েছে, এই কেন্দ্র কমিটির কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদ গাউসুল আজম, হল সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর রহমান, সদস্য আব্দুস সালাম ও সদস্য মহেন্দ্রনাথ ধর এর দায়িত্ব অবহেলা ও স্বজনপ্রীতির কারনে এমন ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্তের দাবী অবিভাবক মহলের।
শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে শার্শা থানায় একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে।আটককৃদেরকে শনিবার আদালত পাঠানো হচ্ছে। #