পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলা সহ দেশ ও দেশের বাইরের সকল মুসলিম ভাই বোনদেরকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ,পীরগঞ্জবাসীর পরিচিত মুখ গিয়াস উদ্দিন

মনসুর আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার :
দেশের সকল প্রাণ মুসলমানদের পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক দানবীর,সৎ এবং সাহসী অসহায় গরিব মেহনতি মানুষের বন্ধু গিয়াস উদ্দিন।

তিনি বলেন, ঈদ-উল আযহা মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদ-উল-আযহা উদযাপিত হবে এবং এর ত্যাগের মহিমা আমাদেরকে আরও উদার ও মানবিক হতে শিক্ষা দিবে। ঈদ-উল-আযহার ত্যাগ ও উৎসর্গের মধ্য দিয়ে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করবো এবং পরস্পরের নৈকট্যে আসবো বলে প্রত্যাশা করি।ঠাকুরগাঁও জেলা সহ দেশের সব মুসলমানের প্রতি পবিত্র ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

পবিত্র ঈদ উল আযহা উদ্‌যাপন উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, পবিত্র ঈদ উল আযহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি শুধু পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ত্যাগ, আত্মসমর্পণ, মানবতা, সাম্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহিমান্বিত শিক্ষা।

প্রতি বছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন। কিন্তু কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য কেবল পশু জবাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মহান বার্তা।

ঈদ উল আযহা উদ্‌যাপন উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, পবিত্র ঈদ উল আযহা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি শুধু পশু কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ত্যাগ, আত্মসমর্পণ, মানবতা, সাম্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক মহিমান্বিত শিক্ষা।

প্রতি বছরে মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন। কিন্তু কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য কেবল পশু জবাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর গভীরে রয়েছে আত্মশুদ্ধি, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক মহান বার্তা।

গিয়াস উদ্দিন আরে বলেন ,বর্তমান বিশ্বে যখন হিংসা, বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা, স্বার্থপরতা ও সামাজিক বৈষম্য উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন ঈদুল আজহার শিক্ষা মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই উৎসব আমাদের শেখায়, প্রকৃত মর্যাদা ও সাফল্য তখনই অর্জন করা সম্ভব হয়, যখন তা মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে। তাই ঈদ উল আযহা সকল মানুষের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহমর্মী ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।

ঈদ উল আযহার মূল ইতিহাস জড়িয়ে আছে হযরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.)-এর অনন্য ত্যাগের সঙ্গে। মহান আল্লাহর নির্দেশে নিজের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু, অর্থাৎ পুত্রকে কোরবানি করার কঠিন পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন হযরত ইব্রাহিম (আ.)।

অপরদিকে, হযরত ইসমাইল (আ.)-ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত ছিলেন। এই ঘটনা মানবজাতির জন্য এক অনুপম দৃষ্টান্ত।

পরিশেষে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা আপনার ও আপনাদের পরিবারের সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। সবাইকে আবারও পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা বলেন ,বর্তমান বিশ্বে যখন হিংসা, বিদ্বেষ, অসহিষ্ণুতা, স্বার্থপরতা ও সামাজিক বৈষম্য উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন ঈদুল আজহার শিক্ষা মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই উৎসব আমাদের শেখায়, প্রকৃত মর্যাদা ও সাফল্য তখনই অর্জন করা সম্ভব হয়, যখন তা মানুষের কল্যাণে কাজে লাগে। তাই ঈদ উল আযহা সকল মানুষের জন্য একটি ন্যায়ভিত্তিক, সহমর্মী ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের শক্তিশালী অনুপ্রেরণা।